আমার দেখা শরীয়তপুর

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সাড়া জাগানো বীর হাজী শরীয়তউল্লাহর নামানুসারে আজকের শরীয়তপুর জেলা। এ জেলা জন্ম দিয়েছে আরও অনেক জ্ঞানী গুণীর। তাদের কাছে শরীয়তপুরবাসী কৃতজ্ঞ। গর্বিত শরীয়তপুর জেলা পদ্মাকে ধারণ করে গড়ে উঠেছে। এখানে রয়েছে ৬ টি উপজেলা। উপজেলাগুলো হচ্ছে, শরীয়তপুর সদর (পালং), ভেদরগঞ্জ, নড়িয়া, ডামুড্যা, গোসাইরহাট এবং জাজিরা। শরীয়তপুর ১৮৭৩ সাল হতে ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর মহকুমার অধীন ছিল। ১৯৭৭ সনের ৪ নভেম্বর মাদারীপুর মহকুমার সৃষ্টি হয় এবং ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে শরীয়তপুর মহকুমা জেলায় রূপান্তরিত হয়। এ জেলার উত্তরে পদ্মা নদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা, পূর্বে মেঘনা নদী ও চাঁদপুর জেলা, পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা ও দক্ষিণে বরিশাল জেলা। শরীয়তপুর জেলার আয়তন ১১৮১.৫৩ বর্গ কিলোমিটার।

শরীয়তপুর ১৮৬৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিক্রমপুরের দক্ষিণ অঞ্চল হিসেবে শাসিত হয়েছে। এ সময় পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনের ফলে বিক্রমপুর থেকে এ অঞ্চল বিছিন্ন হয়ে পড়ে। বৃটিশ সরকার পদ্মার দক্ষিণ অঞ্চলকে ১৮৬৯ সালে বাকেরগঞ্জ জেলার অন্তর্ভূক্ত করে। এ অঞ্চলের মানুষের প্রবল বিরোধিতার মুখে ১৮৭৩ সালে এ অঞ্চলকে ফরিদপুর জেলায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ঐ সময় থেকে শরীয়তপুর, মাদারীপুর মহকুমার অন্তর্গত থেকে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ অঞ্চলের মানুষের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। প্রাচীন কাল থেকে পাল, সেন, মোগল, স্থানীয় স্বাধীন রাজা, জমিদার এবং বৃটিশ শাসনাধীনে ছিল। তখনও এ অঞ্চলের মানুষের সমাজিক অবস্থান সুদৃঢ় ছিল। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও তারা সমৃদ্ধ ছিলো। অঞ্চলটি প্রাচীনকাল থেকে বিক্রমপুর ও ইদিলপুর পরগনার অর্ন্তগত থেকে শাসিত হয়েছিল। মোগল আমলে চাঁদপুরের কেদার রায়, পরবর্তিতে রামবল্লভ এবং অন্যান্য জমিদারদের শাসনাধীনে ছিল। তবে স্থানীয়রা নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে মুগলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। সেই যুদ্ধে জমিদার কেদার রায় নিহত হন।

বৃটিশ আমলে হাজী শরীয়তউল্লাহর নেতৃত্বে বৃটিশ বিরোধী ফরায়েজী আন্দোলনে এ অঞ্চলের মানুষ ব্যাপকভাবে অংশ গ্রহণ করেন। এছাড়া নড়িয়ার পুলিন বিহারী দাসসহ অনেকেই বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ৬০ এর দশকে ডামুড্যার কৃতি সন্তান আব্দুর রাজ্জাক ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আব্দুর রাজ্জাক ও নড়িয়ার কর্ণেল (অব:) শওকত আলীর নেতৃত্বে এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

শরীয়তপুর জেলার মানুষ প্রধানত কৃষিজীবী। শতকরা ৮০% লোক কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এ অঞ্চলটি পদ্মা ও মেঘনা নদীর অববাহিকা হওয়াতে বর্ষাকালে এখানে প্রচুর পলিমাটি জমে এবং এতে ফসল ভালো হয়। এখানকার প্রধান ফসল ধান, পাট, মরিচ, সরিষা, পিয়াজ, রসুন, ডাল, ধনিয়া, কালজিরা, পান প্রভৃতি। এছাড়া মানুষ প্রয়োজন মত শাকসবজি, দেশীয় ফল এবং আলু চাষ করে থাকে। খেজুরের গুড়ও এ অঞ্চলে উৎপাদন হয়। এ জেলায় প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। নদী থেকে মাছ ধরে অনেক পরিবারই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। যারা স্থানীয় ভাষায় জেলে বলে পরিচিত। ইদানিং পুকুরে মাছ চাষ করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই পেশাজীবীদের এখন আর জেলে বলার সুযোগ নেই।

শরীয়তপুর জেলার মানুষ পূর্বে কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও বর্তমানে অনেকেরই পেশা বদল হয়েছে। চাকুরী ব্যবসাসহ বহুবিধ পেশায় তারা নাম লিখিয়েছেন। তাই জীবিকার তাগিদেই জেলাবাসীর একটি বড় অংশ নিজ জেলা ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, বরিশালসহ দেশের অনেক শহরে চাকুরী ও ব্যবসা করছেন। এছাড়া জেলার ব্যাপক সংখ্যক মানুষ মালয়েশিয়া, ইতালী, গ্রীস, ইংল্যান্ড, জাপান, কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশে চাকুরী করছে। যাদেরকে রেমিটেন্স যোদ্ধা বলা হয়ে থাকে। এভাবেই প্রবাসের আয়ে তারা যেমন নিজেদের পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করছেন পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছেন।

স্বাধীনতার আগে শরীয়তপুর জেলা শিক্ষায় ছিলো একটি পশ্চাৎপদ জনপদ। ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত জেলার ডামুড্যায় একটি মাত্র কলেজ ছিল। এখন সকল উপজেলাতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। আবার অনেক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সরকারিকরণের ফলে এলাকার শিক্ষার হার এখন উর্দ্ধমুখী। লেখাপড়ার এমন সুযোগ পেয়ে জেলার ছেলে-মেয়েরা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং এ লেখাপড়া শেষে অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, উকিল, বিসিএস ক্যাডার, সাংবাদিক হিসাবে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখছেন। অনেকে সরকারের উচ্চপদে থেকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। জেলার বেশ কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ অনেকে উচ্চ পদে চাকুরী করছেন। দেখা যাচ্ছে শিক্ষার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের মানুষ অন্য সব জেলাগুলো থেকে অনেকটাই এগিয়ে যাচ্ছে।

১৯৯৬ সাল পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত পশ্চাৎপদ ছিলো। জেলার সদরের মাত্র ৩/৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ছিলো। উপজেলা বা ইউনিয়নগুলোতে কোন সংযোগ রাস্তা ছিলো না। এক থানা থেকে অন্য থানায় যেতে হতো পায়ে হেটে বা নৌকায়। ১৯৫০ সালে এই অঞ্চলে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিলো নৌকা। হাটে-বাজারে ব্যবসা বাণিজ্য বা ফসলাদি বেচা-কেনার জন্য নৌকা ছিল একমাত্র বাহন। এ অবস্থা ৮০/৯০ দশক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিলো। তবে ৬০ এর দশক থেকে এ অঞ্চলের সাথে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, বরিশালের সাথে যোগাযোগের জন্য লঞ্চ সার্ভিস চালু করা হয়। শরীয়তপুর ওয়াপদা, আঙ্গারিয়া, ভোজেশ্বর, নড়িয়া, সুরেশ্বর, ভেদরগঞ্জ, চরভাগা, সখিপুর, বালার বাজার, মোল্লারহাট, চরজালালপুর, কোদালপুর, ডামুড্যা প্রভৃতি স্থান হতে পরিবহনের মাধ্যম বিভিন্ন স্থলে যাতায়াত করা যেত। ৮০ এর দশক থেকে যাতায়াতের জন্য ইঞ্জিন চালিত ট্রলার চালু হয়। যার সাহায্যে সহজেই মানুষ বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারতেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হলে ডামুড্যার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত স্নেহধন্য আব্দুর রাজ্জাক পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তখন শরীয়তপুরের আধার কাটতে শুরু করে। তাঁর প্রচেষ্টায় শরীয়তপুর জেলার যাতায়াতসহ সার্বিক অবস্থার যাদুকরী পরিবর্তন ঘটে। নেওয়া হয় উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা। তৈরি হয় মাস্টার প্লান। এসময় ভেদরগঞ্জ থেকে বালার বাজার দিয়ে আঙ্গারিয়া হয়ে মাদারীপুর সংযোগ রোড, জাজিরা উপজেলার কাঠাল বাড়ী রোড-মাঝির ঘাট হতে জাজিরা-শরীয়তপুর রোড, সকল ইউনিয়ন , থানা, উপজেলা কানেকটিং রোড, এবং সহজ সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন খাল, নদ- নদীর উপর ব্রীজ কালভাট নির্মাণ করা হয়। এছাড়া শরীয়তপুর জেলা সদর হতে গোসাইরহাট, কোদালপুর, মোল্লারহাট, ডিএম খালি, সখিপুর, ভেদরগঞ্জ, চরচান্দা, চরভাগা, কার্তিকপুর, নড়িয়া হয়ে শরীয়তপুর যাতায়াতের জন্য প্রায় ৭০/৮০ কি: মি: রাস্তা এলজিইডির জাপানী প্রজেক্টের মাধ্যমে তৈরী করা হয়। যার কারণে আজ শরীয়তপুর জেলার প্রতিটি উপজেলার সাথে জেলার ইউনিয়নের হাট বাজার এবং গ্রামের সাথে পাকা রাস্তার যাতায়াতের ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত। অনায়াসে মানুষ গাড়ী, অটো, মটরসাইকেল, রিক্সায় করে যে কোন গন্তব্যে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারে।

৮০ এর দশকে শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে চরমপন্থী বাহিনী সক্রিয় হয়। তারা সকলের উপর অনেক অত্যাচার করে এমনকি তারা থানা পর্যন্ত লুট করে। রাস্তাঘাট না থাকায় আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী তাদের দমনে অনেকটাই হিমশিম খায়। এ বাহিনীর নির্যাতনের কাহিনী নিয়ে ৮০ এর দশকে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। যার শিরোনাম ছিল‘ডেডলাইন শরীয়তপুর’। ৯০ এর দশকে রাস্তাঘাট হওয়ায় এ চরমপন্থী বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে নির্মুল করা সম্ভব হয়। তার পর থেকে জনগণ স্বাধীনভাবে কাজকর্র্ম ব্যবসা বাণিজ্য করতে শুরু করে। তারপরেও ৮০ এর দশকে তেমন কোন উন্নয়ন এলাকাবাসী প্রত্যক্ষ করেনি। এরপর পট বদলে যায় যখন ১৯৯৬ সনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। এসময় জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এমপি ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক, কর্ণেল (অব.) শওকত আলী এবং মজিবুর রহমান। তাদের প্রচেষ্টায় এ জেলার প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়। বর্তমানে শরীয়তপুর জেলার কৃতি সন্তান প্রধানমন্ত্রীর স্নেহধন্য পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নাহিম রাজ্জাক এমপির প্রচেষ্টায় অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। ইতোপূর্বে শরীয়তপুর জেলার বেসিক স্ট্রাকচার নির্মিত হয়েছে আর এখন সুপার স্ট্রাকচার তৈরির কাজ চলমান।

বর্তমান সরকারের সময়ে শরীয়তপুর জেলার মানুষের যাতায়াত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল পর্যায়ে জীবন মানের উন্নয়ন ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু তৈরির ব্যবস্থা করেছেন। যা ছিলো এই অঞ্চলের মানুষের জন্য স্বপ্ন। বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদারের নেতৃত্বে এ অঞ্চলের মানুষ পদ্মা সেতুর জন্য আন্দোলন করেছিলেন। ২০২১ সাল থেকে পদ্মা সেতু চালু হলে এ জেলার মানুষের রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হয়ে যাবে। এ জেলার ব্যবসা বাণিজ্য ,শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। মানুষের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করেছিলেন বলেই আজ শরীয়তপুর জেলার এ উন্নয়ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুপরিকল্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হয়েছে এবং উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ অর্জনের পথে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাই শরীয়তপুর জেলার একজন সন্তান হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার দীর্ঘজীবন কামনা করছি। জেলার কৃতি সন্তান প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাককে স্মরণ করছি ও তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বর্তমানে কর্মরত সকল মন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক সকলের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শরীয়তপুরের জনগণ ভবিষ্যতে আরও উন্নত সুখী ও সুন্দর জীবন পাবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

লেখক: মো. আখতার হোসেন
সচিব
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

বি:দ্র: লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় শরীয়তপুরের আদি ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং জেলার বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত “শরীয়তপুর পরিক্রমা’র” স্বরণিকায়।