তরুনের সাহসীকতায় ছিনতাই প্রতিরোধ

পরিক্রমা প্রতিবেদক: ঘটনাটি ঘটেছে রোববার রাতে। মাহমুদ হাসান সুমন নামের ফেসবুক আইডি থেকে ঘটনাটি নেয়া। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পুরো তুলে ধরা হলো:- আমি Mahmud hasan sumon রাত ৯.১০ এ আমার বাইকে করে পলাশী মোড় থেকে হানিফ ফ্লাইওভার এর উদ্দেশে , বাইকের পিছনে বসা বন্ধু কামরাঙ্গীরচরের Arifur Rahaman Arif । ডা: ফজলে রাব্বী হলের মোড়ের একটু আগে একজন ভদ্রবেশী লাল পালসারে চড়ে পানজাবী টুপি পড়া এক ছিনতাইকারী মোড় থেকে আসা রিকসার দুই মহিলা যাত্রীর ( শিশু ছিল কোলে ) কাছ থেকে ব্যাগ ছিনতাই করে পলাশীর দিকে রওনা দেয়। মহিলাদের চিৎকারে আকাশ ভারী হয়ে যায় তৎক্ষনে। আমি কাছ থেকে এই দৃশ্য দেখে নিজের বিপদের কথা চিন্তা না বাইক U টার্ন নিয়ে ছিনতাইকারী কে ধাওয়া করলাম আরিফের হার্টবিট ওঠা নামা শুরু করল। বাইকের স্পীড তখন ৯০ তে। সাথে চিৎকার করতে শুরু করলাম ছিনতাইকারী ধর ছিনতাইকারী ধর কিন্তু দু:খের বিষয় একটা লোক এগিয়ে আসল না। ছিনতাইকারীর বাইক প্রতিরোধ করলাম সে ব্যাগ রেখে বাইক টার্ন নিয়ে বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে বুয়েট ভিতর দিয়ে পালিয়ে গেল । অক্ষত অবস্হায় মহিলার ব্যাগ বুঝিয়ে দিলাম। ব্যাগ রক্ষা করতে গিয়ে ছিনতাইকারীকে ধরতে পারলাম না। তত ক্ষনে আমাদের পিছেনে রিকশায় থাকা দুই বন্ধু Ami Nati ও Salim Khan হাজির। পদটিকা চিৎকার করতে থাকা মহিলার মুখে হাসি , আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া দিল তা নিয়ে বাসায় ফিরলাম, ভাল থাকবেন ভাল রাখবেন সবাই।

ঢাকার অলিতে গলিতে প্রায় সোনা যায় ছিনতায়ের ঘটনার কথা। ঐ দিন মাহমুদ হাসান সুমন নামের ব্যাক্তি তার জীবনের বাজি রেখে ছিনতাইকারীকে দাওয়া করেছে। আবার অনেকে চিৎকার শুনেও আসেনি। মাহমুদ হাসান সুমনরা পৃথিবীতে আছে বলেই মানুষ এখনও মানুষের উপর ভরসা রাখে। ভালো থাকুক ভালো মানুষগুলো।