যেমন হতে পারে “শুভ্রতা”

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোয়ানটিটির ধারণা থেকে বের হয়ে কোয়ালিটিফুল শুভ্রতা গঠন করার চিন্তা ভাবনা চলছে অর্থাৎ “কোয়ালিটি ফাস্ট” স্লোগানকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সংগঠনকে সংস্কার করা হবে। পর্যায়ক্রমে, বিভিন্ন শাখাগুলোকেও সংস্কার করা হবে।

সংগঠনটিতে যেসব পরিবর্তন আসতে পারেঃ

* একমাত্র যাদের ফান্ড কালেক্টিং সক্ষমতা রয়েছে তারাই সংগঠনটির এক্সিকিউটিভ মেম্বার হতে পারবেন অর্থাৎ পরিচালনা কমিটিতে অংশ নিতে পারবেন।

* যে কোনো কেউ চাইলেই স্থায়ী সদস্য হতে পারবেন না। অন্তত এক বছর ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করার পর স্থায়ী সদস্যপদ পাবেন।

*  ভলান্টিয়ার হওয়ার জন্য ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করতে হবে।

* অদক্ষ এবং অনিয়মিতদেরকে সংগঠন থেকে অব্যহতি দেওয়া হবে।

*  কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত অন্যান্য কমিটির উপদেষ্টা প্যানেল বাতিল করে তাদেরকে ডোনার হিসেব অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

*  পূর্ণাঙ্গ এবং সময়োপযোগী গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হবে।

সর্বশেষ সভায়, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি- পি, এম, খালিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক- মাসুম রানা, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক- শেখ মোহাম্মদ মাসুম, উপ-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক-ফাতেমা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- আসিফ আহমেদ, কাতার শাখার সভাপতি-রিয়াজ মুন্সী, হাসান শাহরিয়ার মোহন, বি, এম, হুমায়ুন কবির, এনামূল হকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে জানান, পি, এম, খালিদ হাসান।

সংগঠনটির উপদেষ্টা জনাব অতুল চন্দ্র ওঁঝা বলেন, সংগঠনকে গতিশীল রাখতে সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।

জসিম আহম্মেদ বলেন, শুভ্রতার অধিকারী হবে কেবল যোগ্যরাই। অনিয়মিত আর অযোগ্যদের অব্যহতি দেওয়া হোক।

এ প্রসঙ্গে সংগঠনটির অন্যতম উপদেষ্টা-মহিউদ্দিন তুষার বলেন, সংগঠনের সদস্যদের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা একটি শক্তিশালী পদ্ধতি। সংগঠনের সমৃদ্ধির জন্য যে কোনো ধরনের পরিবর্তন নেতৃত্বকে দূরদর্শী করে তোলে। দূরদর্শী নেতারা ভবিষ্যৎকে দেখতে পান, বিশ্লেষণ করতে পারেন এবং ফলাফল অর্জনে লক্ষ্য স্থির করতে পারেন। তাই সকল বিষয়ে সংগঠনের যোগ্য নেতৃত্ব অতি জরুরি। তাই, নীতিমালার এই সংস্কার শুভ্রতার গুণগতমান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।