৩০ জুন পর্যন্ত গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণ পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে বাধা নেই

পরিক্রমা ডেস্ক: করোনাভাইরাসে তৈরি হওয়া সংকটের কারণে আগামী জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের গ্রাহকদের ঋণের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করতে পারবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে চাইলে তা নিতে কোনো বাধা নেই।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) সম্প্রতি এক সার্কুলারে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো ঋণগ্রহীতা আর্থিক অক্ষমতার কারণে কিস্তি দিতে না পারলেও আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই গ্রাহককে খেলাপি দেখানো যাবে না অথবা ওই ঋণকে বকেয়া হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না। এই সংকটময় সময়ে ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না। নতুন ঋণ দেওয়ায় ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলোর কার্যক্রম : ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ক্ষুদ্র অর্থায়ন সংস্থাগুলো তাদের তিন কোটি সদস্যের পাশে এসে দাঁডিয়েছে। সংস্থাগুলো লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষদের নানাবিধ সহায়তা দিচ্ছে। সব ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাই তাদের সাধ্যমতো সদস্য ও কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাস্ক, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ করছে। সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও অডিও-ভিজুয়াল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। গ্রামে-গঞ্জে মাইকিং করেও মানুষকে সচেতন করছে।